সম্প্রতি বষ্টনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কম্পিউটার হিউম্যান ইন্টারেকশান ২০০৯ কনফারেন্স। সারা বিশ্বের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মিলনমেলা জমেছিল বেশ। আর এখানেই জানা গেল মাল্টিটাচ স্ক্রীন ইন্টারফেসের খবরটি। সেই ১৯৫০ সালে কমান্ডলাইন ইন্টারফেস দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। তারপর এসেছে মাউস, জয়স্টিক সবশেষে টাচপ্যাড, টাচস্ক্রীন। আর এখন এপেলের আইফোন, মাইক্রোসফটের সারফেস নিয়ে এল মাল্টিটাচস্ক্রীন। ম্যাকবুক ও উইন্ডোজ ৭ এর জন্যও এই প্রযুক্তির কথা ভাবা হচ্ছে এখন। আবার অনেক সেলফোন নির্মাতারাও এই সুবিধা দিতে যাচ্ছে। এতে কম্পিউটারের ব্যবহার আরো সহজ হবে, সবার জন্য খুলে যাবে নতুন দিগন্ত।
মাল্টিটাচস্ক্রীনঃ
এটা এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ইউজাররা একসাথে একাধিক আঙ্গুল দিয়ে গ্রাফিকাল এপ্লিকেশন কন্ট্রোল করতে পারবে। এরজন্য দরকার হয় টাচস্ক্রীন বা টাচপ্যাড, একাধিক সিমুলেশন টাচপয়েন্ট নির্ধারণ করতে পারে ও সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারে এমন সফটওয়্যার। এই পদ্ধতিতে একসাথে অনেকগুলো টাচপয়েন্ট রেকগনাইজ করতে পারে কম্পিউটার। এটা অনেকগুলো মাধ্যমথেকে মাল্টিটাচ সনাক্ত করতে পারে যেমন- আঘাত, আঙ্গুলের ছোঁয়া, উচ্চ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, ইনফ্রারেড রশ্নি, অপটিক ক্যাপচার, টিউনড ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ইনডাকশন, আলট্রাসনিক রিসিভার, লেজার রেন্জফাইন্ডার ও স্যাডো কেপচার।
এরজন্য অনেক এপ্লিকেশন আছে যেমন- এপেলের আইফোন, আইপড টাচ। এপেলের ম্যাকবুক ও ম্যাকবুক প্রো, মাইক্রোসফট সারফেস, আসুস ইইই পিসি ও মেইজু এমএইট। আধুনিক মাল্টিটাচস্ক্রীন সিঙ্গেল ও মাল্টিটাচ দুটোই সাপোর্ট করে। এর মাধ্যমে মোবাইলে ভিডিওগেম খেলা যায় আবার একাধিক জায়গার জন্য জিপিএস কি ইউজ করা যায়।
সুত্রঃ টেকনোলজি রিভিউ।