পৃথিবীবিখ্যাত কিছু সাহসী যোদ্ধার কথা
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
আমাদের সামনে আজকে যে যুদ্ধংদেহী পৃথিবীকে দেখছি, বহু বছর আগেও পৃথিবী এরকমই যুদ্ধংদেহী ছিল। কিন্তু তখন প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতা ছিল না। ছিল না অমন আধুনিক মারণাস্ত্র। তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুদ্ধিদীপ্ত প্রযুক্তির মারপ্যাঁচে যুদ্ধ হতো না। তখন যুদ্ধের ফলাফল নিরূপিত হতো যোদ্ধাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, সাহস, ক্ষিপ্রতা, কৌশল এবং শক্তিমত্তার সমন্বিত গুণে। ফলে ইতিহাসে এমন অনেক সাহসী যোদ্ধাই অমর হয়ে আছেন, যাদের অসীম বীরত্বের কথা সভ্যতার আদি থেকে আজ অবধি বিশ্বের কোটি মানুষের মুখে মুখে। এরকম কিছু সাহসী যোদ্ধার কথা -
নাইট :
অনেকের মতেই নাইটরা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা। ইতিহাসখ্যাত যোদ্ধা নাইটদের প্রাথমিক উৎপত্তি ও বিরণস্থল ইউরোপ। এ ধরনের যোদ্ধারা প্রকৃতিগতভাবেই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির ছিলেন। কারণ খুব ছোটবেলা থেকেই তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হতো। ভয়ঙ্কর ও দুর্ধর্ষ সব শারীরিক কসরতের মাধ্যমে তৈরি হতো একজন নাইট যোদ্ধা। নাইট একটা উপাধির নাম। একজন সাধারণ মানুষ কিংবা একজন সাধারণ সেরার জন্য নাইট উপাধি পাওয়া সহজ ছিল না। নাইট উপাধি পাওয়ার জন্য একজন সাধারণ যোদ্ধা বা মানুষকে অনেক কড়া আইন-কানুন-অভ্যাস এবং কঠোর প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। নাইটরা মূলত সম্মুখসমরের যোদ্ধা ছিলেন না। তাদের প্রধান কাজ ছিল রাজাকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করা। মজার ব্যাপার হলো, এ কাজটি মূল কাজ হলেও সম্মুখ সমরের ক্ষেত্রেও নাইটরা ছিল অতুলনীয়। যুদ্ধক্ষেত্রে নাইটদের পরাজিত করা প্রায় অসম্ভব ছিল। এর কারণ তাদের পা থেকে মাথা পর্যন্ত লৌহবর্ম দ্বারা আবৃত থাকত। ঘোড়া ব্যবহার করে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে আক্রমণ করা নাইটদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের মূল অস্ত্র ছিল তরবারি এবং ঢাল। নাইটদের মতো তারা সারা শরীর বর্ম দিয়ে আবৃত রাখত না।
সামুরাই :
আমরা সবাই কমবেশি তাদের নাম জানি, তাদের নাইটের জাপানি রূপ বললে ভুল হবে না। সামুরাই জাপানের প্রাক-শিল্পাঞ্চল যুগের সামরিক বাহিনীর সদস্য বা জাপানি যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। তাদের অন্য নাম বুশি। জাপানি ত্রিয়াবাচক শব্দ সাবুরাই থেকে সামুরাই শব্দটির উৎপত্তি ঘটেছে। এর অর্থ হচ্ছে কাউকে সেবাদান করা। ইদো শাসনামলে সামুরাই শব্দটির সর্বশেষ প্রয়োগ হয়েছিল। একজন সামুরাই অনেক ধরনের অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহারে পারদর্শী থাকতেন। তার মধ্যে তাদের কাছে জনপ্রিয় অস্ত্র হিসেবে রয়েছে কাতানা নামীয় লম্বাটে ধরনের তলোয়ার। ডান হাতেই তারা অস্ত্র ধারণ করে থাকে। সামুরাই দুটি তলোয়ার নিজের কাছে রাখেন। শান্তিকালীন কাতানা এবং ওয়াকিজাশি নামীয় ছোট ধরনের তলোয়ার বহন করেন। কিন্তু যুদ্ধের সময়ে তারা লম্বা
তলোয়ার তাচি এবং ছোট তলোয়ার টান্তো সঙ্গে রাখেন। প্রাচীন ইউরোপের নাইটদের তুলনায় তারা কম অস্ত্র বহন করতেন। তারা খুব নৃশংস ছিলেন। তাদের অন্যতম ব্যবহৃত অস্ত্র তরবারির পাশাপাশি তারা জাপানি মার্শাল আর্টে (কারাতে) দক্ষ ছিল। কালের বিবর্তনে তারা হয়তো নেই। কিন্তু তাদের ব্যবহৃত তরবারি আজও আছে, যেটা সামুরাই নামে পরিচিত। এটি কোনো সাধারণ তরবারি নয়। এটি চালনা করতে হলে আপনার প্রয়োজন বিশেষ প্রশিক্ষণ, একটু ভুল এমনকি তরবারিটিকে খোলস থেকে বের করার সময়ও যদি অসতর্ক হন, আপনি দুর্ঘটনার মধ্যে পড়তে পারেন। আমাদের দেশে মাত্র একজন ব্যক্তি আছেন, যিনি এই সামুরাই চালাতে দক্ষ।
নিনজা :
বীর যোদ্ধা সামুরাইদের মতো জাপানেরই আরেক সামরিক যুদ্ধবিদ ছিলেন নিনজারা। সাধারণ সৈন্যদের চেয়ে অনেক উঁচু পদের অধিকারী এই নিনজারা ছিলেন অত্যন্ত নিপুণ ও ধুরন্ধর সৈনিক। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ অথবা পঞ্চম শতকে সান জু'র লেখা 'দ্য আর্ট অব ওয়ার' নামে একটি বিখ্যাত বইয়ে এ নিনজাদের কথা প্রথম পাওয়া যায়। এরা মূলত কৃষক ছিলেন। লুণ্ঠনকারী সামুরাইদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য তারা এক ধরনের কৌশল আবিষ্কার করেন, যেটা মূলত ট্রাডিশনাল কুংফুর এক ধরনের সংস্করণ। নিনজাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো_ তারা স্টিলথ ফাইটার, অর্থাৎ আপনি তাদের উপস্থিতি টের না পেয়ে তাদের আক্রমণের শিকার হতে পারেন। তরবারি, ব্লোগান, নিনজা স্টার, তাদের অন্যতম ব্যবহৃত অস্ত্র। যদিও আমরা সিনেমায় বা কার্টুন চরিত্রে নিনজাদের কালো পোশাকে ঢাকা দেখতেই অভ্যস্ত, কিন্তু তারা গরিব কৃষকদের মতোই সাধারণ জামা-কাপড় পরতেন। কখনো আবার সামুরাইদের মতো পোশাকও পরতেন। তারা আঙ্গুলে 'শোবো' নামে এক ধরনের ছোট্ট কাঠের আংটি পরতেন। সেটি দেখতে ছোট হলেও হাতাহাতি লড়াইয়ের সময় বিপক্ষকে ঘায়েল করতে ভূমিকা নিত। ওই আংটিতে একটা কাঠের খাঁজ থাকত, যেটি শত্রুকে আঘাত করে সাময়িকভাবে অসাড় করে রাখত। এরই সমকক্ষ হলো 'সানটেটসু', কাঠের ছোট ডিমের মতো এই টুকরোটিকে আঙুলের সঙ্গে বেঁধে নিনজারা হাতের পাতায় ধরে থাকতেন। তারপর সুবিধামতো বিরোধী পক্ষকে একইভাবে কাবু করে ফেলতেন। নিনজারা অনেক সময় ছাপোষা কৃষকের ছদ্মবেশ ধরত বলে তাদের অস্ত্রশস্ত্রগুলো আবার একই সঙ্গে চাষের কাজেও ব্যবহারের মতো করে তৈরি করা হতো।
ভাইকিংস :
ভাইকিং হচ্ছে আরেকটি ভয়ঙ্কর যুদ্ধবাজ জাতি। শাব্দিক অর্থে ভাইকিং বলতে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার সমুদ্রচারী ব্যবসায়ী, যোদ্ধা ও জলদস্যুদের ভয়ঙ্কর একটি দলকে বোঝায়। এই দলটি মূলত অষ্টম শতক থেকে ১১০০ শতক পর্যন্ত বংশ পরম্পরায় ইউরোপের বিরাট এলাকাজুড়ে লুটতরাজ চালায় এবং বসতি স্থাপন করে। এদের নর্সম্যান বা নর্থম্যানও বলা হয়। ভাইকিংরা পূর্বদিকে রাশিয়া ও কনস্টান্টিনোপল পর্যন্ত পেঁৗছে গিয়েছিল। অন্যদিকে পশ্চিমে গ্রিনল্যান্ডে ভাইকিংরা ৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ইউরোপীয় বসতি স্থাপন করে। আর এতেই সম্ভবত প্রথম ইউরোপীয় জাতি হিসেবে ১০০০ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কার করে। আইসল্যান্ড ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার সাহিত্যে ভাইকিংদের শৌর্য-বীর্যের কথা বলা হয়েছে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মানুষেরা খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হতে শুরু করলে ভাইকিংদের অভিযান ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়ে শেষ হয়ে যায়। ভাইকংদের ভাবা হতো ইউরোপের ত্রাস। দস্যুতার জন্য বিখ্যাত এই জাতিটি যুদ্ধবাজ মনোবৃত্তির জন্যও ইতিহাসে বড় একটি স্থান দখল করে আছে। অন্যান্য যোদ্ধা জাতির তুলনায় ভাইকিংদের খানিকটা পার্থক্য ছিল। আর সেই পার্থক্যটি হলো, শারীরিক গড়নের ভাইকিং যোদ্ধাদের প্রায় সবাই অনেক লম্বা এবং চওড়া ছিল। তাদের প্রধান অস্ত্র ছিল কুড়াল। যুদ্ধংদেহী ভাইকিংদের ধর্মও আবর্তিত হতো যুদ্ধকে ঘিরেই।
অ্যাপাচি :
যোদ্ধা হিসেবে অ্যাপাচিদেরও কোনো অংশেই ফেলনা বলা যাবে না। তাদের বলা হয় নিনজার আমেরিকান ভার্সন। তারাও নিনজাদের মতোই ভয়াবহ ছিল। আপাত দৃষ্টিতে অ্যাপাচিরা অনেকাংশেই নিরীহদর্শন ছিল। কিন্তু এই মানুষগুলোর ভয়েই তখনকার আশপাশের অনেক গোত্রের মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যেত।
অ্যাপাচিরা মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করত ছুরি। এ ছাড়াও তারা যুদ্ধক্ষেত্রে আদিম কিছু অস্ত্র ব্যবহার করত, যেগুলোর বেশির ভাগই কাঠ বা হাড়ের তৈরি। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই সাধারণ অস্ত্রগুলো ব্যবহার করেই তারা কাবু করে ফেলত ভয়ঙ্কর সব শত্রুদের। তারপরই ওই শত্রুর ওপর নেমে আসত ভয়ঙ্কর সব শাস্তি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা তাদের পরাজিত শত্রুদের বেঁধে ফেলত। আর জীবন্ত অবস্থায় তারা তার পুরো শরীরের চামড়া তুলে নিত। অ্যাপাচিদের আরেকটি বিশেষ গুণ ছিল, তারা খুব নিঃশব্দে চলাফেরা করতে পারত। সেজন্য শত্রুরা সহজেই তাদের হাতে পরাস্ত হতো। তবে তাদের খ্যাতি ছিল খালি হাতের যোদ্ধা হিসেবে। অসম্ভব কৌশলী ও বলবান যোদ্ধা ছিল অ্যাপাচিরা। এখনো অনেক দেশের সৈনিকদের খালি হাতে যুদ্ধের জন্য অ্যাপাচিদের কৌশল শেখানো হয়।
স্পার্টানস :
প্রাচীন স্পার্টা নগরী থেকে উদ্ভূত স্পার্টানরা ছিল প্রাচীন গ্রিকের একটি যোদ্ধা জাতি। গ্রিক পটভূমিতে নির্মিত হলিউডের সাড়া জাগানো মুভি থ্রি হান্ড্রেটে আমরা যে যোদ্ধাদের দেখেছি তারাই স্পার্টানস। ইতিহাসের ভয়ঙ্কর ও নৃশংসতম যোদ্ধাদের মধ্যে স্পার্টানরাও অন্যতম। নাইটদের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের মূল অস্ত্র ছিল তরবারি এবং ঢাল। কিন্তু নাইটদের মতো তাদের সারা শরীর বর্ম দিয়ে সুরক্ষিত থাকত না মোটেও। স্পার্টানরা যুদ্ধের পাশাপাশি আইন-কানুন এবং নাগরিকতার ধারণা তৈরির জন্য বিশ্বখ্যাত। স্পার্টানদের স্লোগান ছিল : "come back with the shield or on top of it"। যার অর্থ তুমি কেবল তখনই ফিরে আসবে, যদি তুমি জয়ী হতে পার। মানে হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রে জয়ী হওয়াটাকেই স্পার্টানরা টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন মানত।
মঙ্গোলিয়ান :
চেঙ্গিস খানের বদৌলতে হোক আর পৃথিবীর বুকে গড়ে তোলা সবচেয়ে বড় সম্রাজ্যের কারণেই হোক মঙ্গোলিয়ানরা বীরের জাতি হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য হিসেবে ইউরোপ থেকে এশিয়া অবধি বিচরণ ছিল তাদের। জাতি হিসেবে মঙ্গলিয়ানরা ভবঘুরে ছিল। তবে তাদের এই পরাক্রমশীলতা আসে চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে। ইতিহাসের অমর নায়ক চেঙ্গিস খানের অসাধারণ নেতৃত্ব এবং সাহস মঙ্গোলীয়দের একটি সাধারণ জাতি থেকে দিগ্বিজয়ী জাতিতে পরিণত করে। মঙ্গোলীয়রাই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দলে বিভক্ত হয়ে যুদ্ধ করেছিল, তাদের প্রতিটি দলে থাকত ১০-১০০ জন সৈন্য। আবার এ রকম আরও ছোট ছোট দল নিয়ে তৈরি হতো আরেকটি বড় দল। প্রতিটি দলের নেতৃত্বে থাকতেন একজন দলপতি। মঙ্গোলীয় যোদ্ধাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ ছিল তাদের যুদ্ধকৌশল, তারা অস্ত্র হিসেবে ঢাল, তলোয়ার এবং তীর ব্যবহার করত। মঙ্গোলীয় তীরন্দাজরা ছিল অত্যন্ত দক্ষ। অনেক দূর থেকে একসঙ্গে অনেক তীরের মাধ্যমে তারা বিপক্ষ দলকে বিশৃঙ্খল করে দিত। মঙ্গল যোদ্ধাদের ঘোড়াগুলো সাধারণত ছোট প্রকৃতির হতো, ছোট ঘোড়ার সুবিধা হিসেবে যোদ্ধারা খুব সহজেই তাদের ঘোড়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। মঙ্গোলীয় যোদ্ধারাও বর্ম ব্যবহার করত, তবে তাদের সেই বর্মগুলো নাইটদের মতো এত ভারী ছিল না এবং তাদের বর্ম শুধু বুক এবং পিঠকে রক্ষা করতেই ব্যবহার হতো ।
২৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ফখরুল সাহেব দেশটাকে বাঁচান।
ফখরুল সাহেব দেশটাকে বাঁচান। আমরা দিন দিন কোথায় যাচ্ছি কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। আপনার দলের লোকজন চাঁদাবাজি-দখলবাজি নিয়ে তো মহাব্যস্ত! সে পুরাতন কথা। কিন্তু নিজেদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
শাহ সাহেবের ডায়রি ।। প্রধান উপদেষ্টাকে সাবেক মন্ত্রীর স্ত্রীর খোলা চিঠি!
সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে মুক্তি দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী আয়েশা সুলতানা। মঙ্গলবার (২৯... ...বাকিটুকু পড়ুন
কেমন হবে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশ ?
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিক্ষুব্দ ছাত্র জনতা আগুন দিয়েছে তাতে বুড়ো গরু গুলোর মন খারাপ।বুড়ো গরু হচ্ছে তারা যারা এখনো গণমাধ্যমে ইনিয়ে বিনিয়ে স্বৈরাচারের পক্ষে কথা বলে ,ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্বীনদার জীবন সঙ্গিনী
ফিতনার এই জামানায়,
দ্বীনদার জীবন সঙ্গিনী খুব প্রয়োজন ..! (পর্ব- ৭৭)
সময়টা যাচ্ছে বেশ কঠিন, নানান রকম ফেতনার জালে ছেয়ে আছে পুরো পৃথিবী। এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে গুনাহ মুক্ত রাখা অনেকটাই হাত... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্বীনদার জীবন সঙ্গিনী খুব প্রয়োজন ..! (পর্ব- ৭৭)
সময়টা যাচ্ছে বেশ কঠিন, নানান রকম ফেতনার জালে ছেয়ে আছে পুরো পৃথিবী। এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে গুনাহ মুক্ত রাখা অনেকটাই হাত... ...বাকিটুকু পড়ুন
জাতির জনক কে? একক পরিচয় বনাম বহুত্বের বাস্তবতা
বাঙালি জাতির জনক কে, এই প্রশ্নটি শুনতে সোজা হলেও এর উত্তর ভীষণ জটিল। বাংলাদেশে জাতির জনক ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে একজন ব্যক্তিত্বকে জাতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। তবে পশ্চিমবঙ্গের... ...বাকিটুকু পড়ুন