নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে সপ্তাহান্তের ছুটি মেলে শুক্রবারে , আর বিদেশে শনি/ রবিবারে। সারা সপ্তাহের ব্যস্ততা শেষে একটু রিলাক্সের সুযোগ মেলে উইকএন্ডে । বাসার কাছের এক ইন্ডিয়ান রেস্তোরায় আয়েশ করে পরোটা খেতে খেতে ভাবলাম সকালের নাশতা নিয়ে একটা পোস্ট লিখি । ডাক্তাররা সমসময় বলেন যে সকালের নাশতায় নাকি সবচেয়ে ভারী খাবার খেতে হয়। কিন্ত বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় যে ব্যস্ততার কারনে সকালের নাস্তা একপ্রকার খাওয়াই হয় না। যখন স্কুলে ছিলাম তখন , খুব ভোরে উঠে স্কুলের জন্য তৈরী হতে হতে নাশতা খাওয়ার সময় থাকত না। মা টিফিন বক্সে খাবার ভরে দিতেন। কখনো বোম্বে টোস্ট , কখনো নুডলস , পরোটা ডিম ইত্যাদি। সকাল সাড়ে নয়টায় স্কুলের টিফিন পিরিয়ডই ছিল আমাদের সকালের নাশতা খাবার টাইম। সেকালে বন্ধুত্ব বড় নির্মল ছিল। যে যেমন টিফিনই আনতো , সবাই মিলে সেটা ভাগ করে খাওয়া হত। আবার অনেক সময় বন্ধুদের সবার টাকা একসাথে জড়ো করে দলবেধে টিফিন টাইমে স্কুলের মাঠে চটপটি, বরফের আইস্ক্রীম কিনে খাওয়া হত। সবুজ রঙ এর সেই আইসক্রিম খেয়ে জিভ সবুজ হয়ে যাওয়াটায় সবাই খুব মজা পেতাম। ঝাল্ মুড়ি , চানাচুর মাখা বিক্রি হত স্কুলের সামনে । স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে এই জিনিষ না খেয়ে ফেরা হত ন । বড় সুন্দর ও রঙ্গীন ছিল দিনগুলো।
ভার্সিটিতে গিয়েও একই অবস্থা। কাক ভোরে ঘুম থেকে উঠেই দৌড় দিতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল বাস ধরার জন্য। ভোরের ক্লাস শেষে ব্রেক পিরিয়ডে দলবেধে ক্যফেটোরিয়ায় যেতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত চা চপ সিঙ্গারা খেতে। সাইন্স লাইব্রেরীর পেছনে একটা টি স্টল ছিল। সেখানেও চা সিঙ্গারা পাওয়া যেত। আবার মাঝে মাঝে খিচুরি ও ডিম ভাজাও পাওয়া যেত। অমৃতের মত স্বাদ ছিল সে খিচুরির। টিএসসির ডাস এর নাস্তাও খুব মজার।
দেশের সকালের নাশতাটা বড় মিস করি এই দূর প্রবাসে। পাউরিটি জিনিষটা ছুয়েও দেখতাম না তখন। আর বিদেশে সকালের নাশতা মানেই পাউরুটি ডিম , জ্যাম নাহয় দুধের সাথে কর্নফ্লেক্স। একমাত্র উইকেন্ডে এলে একটু ভাল মন্দ নাশতা খাওয়া হয়। বাসার বেশ কাছেই একটা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট আছে। উপড়ের ছবিটা সেই রেস্তোরার। পরোটাকে এখানকার স্থানীয়রা বলে রোটি প্রাটা। আর পরোটা এরা আমাদের মত ডিম , ভাজি বা মাংশ দিয়ে খায় না। পরোটা এখানে সার্ভ করা হয় শুধু ঝোল দিয়ে। তবে অনেক প্রকার পরোটা আছে যেমন এগ প্রাটা, চীজ প্রাটা, গারলিক/অনিয়ন প্রাটা ইত্যাদি। মচমচে পরোটা হালকা টক মিষ্টি স্বাদের ঝোল দিয়ে খেতে বেশ লাগে।
উপড়ের ছবিটা একটা কাস্টার্ড জাতীয় ডেজার্টের । বাহারী নাম আছে এসব ডেজার্টের। রেস্টুরেন্টে নাশতা বা লাঞ্চের পর একটা ডেজার্ট খাওয়া এখানে খুব প্রচলিত। ছবির ডেজার্টের নাম '' বুরবুর চাচা '' । নাড়িকেল দুধে মিষ্টি আলু, ফল ও জেলী দিয়ে তৈরী এই ডেজার্ট। অসাধারন টেস্ট। বাসায় বানিয়ে দেখতে পারেন।
দেশে এখন শীতের আমেজ। ফেসবুক খুললেই খালি দেখি পিঠা পুলির ছবি। সকালের নাশতায় ভাপা, চিতই গরুর মাংশ খাওয়ার সময় হাজির হয়েছে। ব্লগারদের নাশতার গল্প শুনতে চাই। ছবিসহ দিলে আর ভাল। দর্শনেই অর্ধভোজন এ কথা কে না জানে!
ছবি সুত্রঃ আমার মোবাইল ক্যমেরায় তোলা
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১৩
ঢাবিয়ান বলেছেন: শীতের সবজি দিয়ে বানানো যে কোন ভাজি খুব টেস্টি হয়। আপনার কমেন্ট পড়ে চারুকলার কাছেই শাহবাগের বিখ্যাত সিলভানা, মৌলির কথা মনে পরে গেল।
২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১৩
শেরজা তপন বলেছেন: বিদেশেও দেশী স্টাইলে ভোজন বিলাস!! যাই খাচ্ছেন না কেন অন্তত ফ্রেশ খাবারটা খাচ্ছেন- বিষমুক্ত খাবারটা খাচ্ছেন এটি বড় কথা। আমরা অনেক পদের খাবার খেয়েও ভালো নেই কেউ- সবাই ভয় পায় খেতে
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:২৬
ঢাবিয়ান বলেছেন: এটা ঠিক যে বিদেশে খাবার খেতে ভয় নিয়ে খেতে হয় না। কিন্তু আমাদের দেশী খাবারের তুলনা নাই ।এত ভ্যরাইটির পদ অন্য কোন দেশে পাবেন না। খালি যদি ভেজালটা শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রন করত তাহলে বিদেশী পর্যটকের অভাব হত না।
৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:২৩
কাছের-মানুষ বলেছেন: সকালে নাস্তা হিসেবে আমার নিদিষ্ট খাবারের মেন্যু নেই, হাতের কাছে যা পাই তাই খাই, পাউরুটি, ডিম, জ্যাম ইত্যাদি! মাঝে মাঝে ওয়ালমার্ট থেকে আনা টরটিলা ল্যান্ড রুটি ভেজে খাওয়া হয়!
এক সময় যখন দেশে থাকতাম, সকালে বাসা থেকে টাকা দিত, হটেল থেকে পরোটা, ডালভাজি খেতাম অমৃতের মত লাগত! এখন দেশে গেলে আগের মত ডাল ভাজি আর ভাল লাগে না, কোয়ালিটি নস্ট হয়ে গেছে!
আপনার চা দেখে আমারো খেতে ইচ্ছে করছে, এখন রাত, এই চা খেলে আর রাতে ঘুম হবে না!
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৩৩
ঢাবিয়ান বলেছেন: বিদেশে পরোটা মানেই সুপারমার্কেট থেকে কেনা ওয়ান টাইম পরোটা। বেলুন দিয়ে হাতে বানানো ঝক্কির মাঝে আর কেই বা যেতে চায় । চা/ কফি সকালেই খাই। রাতে খেলে এই বয়সে ঘুম আসা খুবই কঠিন।
৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৩৬
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- ওরে খানা!! খালি খানা আর খানা। শীতেই খানার পরসা বসে বেশী।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৪২
ঢাবিয়ান বলেছেন: কি নাশতা খান এখন এই শীতের সকালে ? তাড়াতাড়ি ছবি দেন শীতের নাশতার।
৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৩৮
পবিত্র হোসাইন বলেছেন: আমার কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান পরোটা বেশ ভালো লাগে। চা দিয়ে খেতে দারুন।
আজকের নাস্তা শর্টকাট ছিল। ব্রেড সাথে পিনাট বাটার।
তাছাড়া প্রতিদিন সকালে একটি তুর্কিস চা আমাকে অনেক রিফ্রেশ করে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৪৭
ঢাবিয়ান বলেছেন: এই রকম বাকানো কাপে বিভিন্ন ফ্রুট এর ফ্লেভারে তার্কিশ চা বিশ্বব্যপী জনপ্রিয়তা পেয়েছে । খাওয়া হয় মাঝে মাঝে। আমার এখানেও পরোটা মুলত সাউথ ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টেই বিক্রি হয়।
৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৪৩
অপু তানভীর বলেছেন: আমাদের ভারী খাবার সময় হচ্ছে দুপুর আর রাতে । আমরা সকালে কোন মতে কিছু খেয়ে দুপুরে খাই সব থেকে ভারী খাবার । অথচ স্বাস্থ্যবিদেরা বলেন সকালের খাবার হতে হবে সব থেকে বেশি ভারি ! ভার্সিটি জীবনে আমার ক্লাস শুরু হত আটটা কিংবা সাড়ে আটটার ভেতরে । এই সময়ে বেশির ভাগ ঠিক মত খাওয়া হত না ।
সকালের আমার সব থেকে পছন্দের নাস্তা হচ্ছে সাদা ভাত আলু ভর্তা আর ডিম ভাজি । আলু ভর্তা বাদ দিলে ডাল চচ্চরিও চমৎকার হয় । আবার গরম কালে পান্তা ভাতের সাথে আলু ভর্তা আর ডালের বড়া ।এর থেকে ভাল সকালের খাবার আর হয়ই না ।
তবে এখন এসব যখন বাসায় যাই তখন কেবল খাওয়া হয় । ঢাকাতে তেল ছাড়া পরোরা ডিম আর আলুভাজি খাওয়া হয় । সাথে বাসায় ফিরে কফি আর আপেল । অনেক কয়বছর ধরে এই হচ্ছে সকালের নাস্তা !
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:১৬
ঢাবিয়ান বলেছেন: সকালের নাশতায় ভাত কখনও খাইনি। তবে এটাই সঠিক ফুড হ্যবিট। গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য এ কারনেই শহুরে মানুষদের চাইতে ভাল হয়। দেশে থাকত শুক্রবার সকালের নাশতায় মা মাঝে মাঝে খিচুরি, ডিমভাজি করতেন।
৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৫৯
শূন্য সারমর্ম বলেছেন:
দুইটা আটার রুটি + কলা ; চা।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:১৮
ঢাবিয়ান বলেছেন: পারফেক্ট স্বাস্থ্যকর নাশতা।
৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৯
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কোন দেশে আছেন?
আমি সব সময় সকালের নাস্তা একটু বেশি করি।
ছোটবেলা থেকেই আমি সকালে হোটেলে নাস্তা করতে পছন্দ করি। কারন হোটেলে নানান রকম খাবার পাওয়া যায়। চিকেন স্যুপ, নেহারি, হালুয়া, ডাল ভাজি, মুগডাল, গিলাকলিজা ইত্যাদি। একেক দিন একেকটা খাবার। প্রতিদিন তো আর এক খাবার ভালো লাগে না।
আজ সকালে নাস্তা খেয়েছি চিকেন স্যুপ আর তন্দুর রুটি। এক কাপ চা।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২২
ঢাবিয়ান বলেছেন: বিভিন্ন সময়ে আমি মনে হয় লিখেছি যে আমি সিঙ্গাপুরে থাকি। হোটেলের খাবার প্রতিদিন খাওয়া ঠিক নয়। সুরভি ভাবীর এত মজার মজার নাশতা ছেড়ে হোটেলে কম খাবেন। তবে দেশের হোটেলের নেহারি , পরোটা/ তন্দুর লা জবাব।
৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২০
জুল ভার্ন বলেছেন: বর্তমানে আমি প্রকৃতপক্ষেই "ভেতো বাংগালী"- বলা যায়, বাড়িতে তিন বেলা ভাত খাই। ভাত না খেলে সকালে খুব হালকা নাশতা করি। একটা ডিম ভাজি আর এক মগ কফিতে চলে। আবার বিদেশে গেলে ভাতের জন্য মনটা আকুপাকু করে কিন্তু বিদেশী খাবার খেয়ে দিব্বি কাটিয়ে দিতে পারি। MBA, MIBA পড়ার জন্য যখন ইংল্যান্ডে ছিলাম তখন কদাচিৎ ভাত খেতাম। আবার জার্মানিতে টানা আট মাস ভাত না খেয়ে কাটিয়েছি- যা একটানা ভাত না খাওয়ার রেকর্ড।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩৯
ঢাবিয়ান বলেছেন: বিদেশে এখন আর আগের মত ভাতের আকাল নাই। সব দেশেই রাইস এখন সহজলভ্য। আর রাইস কুকারে ভাত রান্না খুবই সহজ বলে সকল প্রবাসীই এখন নিয়মিত ভাত খায়। আপনি টানা আট মাস ভাত না খেয়ে কিভাবে থেকেছেন তাই ভাবছি । তবে ভাত আসলে কম খাওয়াই উচিত। কিন্ত আমরা বাঙ্গালীরা ভাত ছাড়া থাকতে পারি না।
১০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩৪
সোনাগাজী বলেছেন:
সিংগাপুরের স্হানীয়দের মুল নাস্তা কি?
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫০
ঢাবিয়ান বলেছেন: কার বাসায় কে কি খায় তা জানা নেই। তবে এখানে সকালের নাস্তার বিভিন্ন ক্যাফে আছে সব এলাকায় । ফাস্টফুড রেস্টুরেন্ট বাদ দিলে এসব ক্যফের হাফ বয়েল্ড এগ , স্যন্ডুইচ চা/ কফি খুবই পপুলার। লোকাল আরেকটা নাশতা খুব জনপ্রিয় সেটার নাম নাসি লেমাক। ফ্রাইড চিকেন, ডিম , চীনা বাদাম দিয়ে কাচকি ফ্রাই এবং অল্প রাইস সহকারে বিক্রি হয়। নীচে ছবি দিচ্ছি।
১১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫০
ঢাবিয়ান বলেছেন:
নাসি লেমাক
ছবিসুত্র ঃ গুগল।
১২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:০১
সোনাগাজী বলেছেন:
নাসি লেমাকের চিকেন ফ্রাইটা বাদ দিলে, বাকীটুকু স্বাস্হ্যকর। ধন্যবাদ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫৮
ঢাবিয়ান বলেছেন: স্বাস্থ্যকর খাবার বলা যাবে না। ভাতটা নারিকেল দুধ দিয়ে রান্না করা হয় । ভালই রিচ ফুড।
১৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৮
স্বরচিতা স্বপ্নচারিণী বলেছেন: Bubur Cha-Cha এর রেসিপি ইউটিউবে দেখেছি। যতদূর জানি এটা মালয়েশিয়ান ডেজার্ট। ইউটিউবে দেখে খুব পছন্দনীয় কিছু হবে বলে মনে হয়নি। আপনার রিভিউ দেখে চিন্তা করছি একদিন ট্রাই করে দেখতে হবে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০৫
ঢাবিয়ান বলেছেন: ঠিক বলেছেন এটা মালয়েশিয়ান ডেজার্ট। সিঙ্গাপুর দেশটার আদি বাসিন্দারা মুলত তিন জাতি্র সমন্বয়ে গঠিত। চাইনিজ, মালয়েশিয়ান এবং সাউথ ইন্ডিয়া্ন । তাই এই তিন জাতির খাবারই এখানে সর্বত্র পাওয়া যায়। Bubur Cha-Cha খুবই মজাদার। ট্রাই করে ব্লগে রিভিউ দিন
১৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২০
খায়রুল আহসান বলেছেন: সপ্তাহে ৪/৫ দিন দুটো করে আটার রুটি, কিছু সব্জী আর একটি ছোট দেশি কলা- চম্পা অথবা বাংলা। সাগর, শবরি ইত্যাদি নয়, তবে নাতি নাতনিরা এলে ওদের জন্য আনা হয়। সপ্তাহের বাকি ২/৩ দিন দুধে ভিজিয়ে দুই টুকরো পাউরুটি খেয়ে নেই। নিকটে একটি ক্যান্টিন আছে, মাঝে মাঝে সেদিকে যাওয়া হলে (মাসে ২/১ বার, কোন কোন মাসে মোটেই না) এক পিস ডিম ভূনাসহ খিচুরি নিয়ে আসি টেকএ্যাওয়ে প্যাকেটে। সাথে সাথে গরম গরম খেলে খুবই সুস্বাদু লাগে। বাসায় এসে একটু পিঁয়াজ মরিচ কেটে সরিষার তেল দিয়ে খুব করে মাখিয়ে দুটো আস্ত কাঁচামরিচ নিয়ে খেতে বসে পড়ি। সেদিনটাতে নাস্তাটা বেশ ভারি হয়ে যায়।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১৫
ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার খাবারের বিবরন শুনে আমার বাবার কথা মনে পড়ে গেল। বাবা আর নেই। আড়াই বছর আগে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনিও আপনার মত খুব মেনে চলতেন। শুধু সকালে নয় , রাতেও রুটি সবজি খেতেন। শুধু দুপুরে ভাত খেতেন। আল্লাহর রহমতে বাবা যতদিন বেঁচে ছিলেন , সুস্থ সবলভাবে বেচেঁ ছিলেন।
খিচুরি, ডিম ভুনা এই দূর প্রবাসেও অনেক খাওয়া হয়।আমারা বাঙ্গালীদের এই খাবারটা সবারই খুব প্রিয় একটা খাবার।
১৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১৯
অপ্সরা বলেছেন: চালের রুটি, পোরোটা আর গরুর মাংস সালাদ তারপর ফিরনী কিংবা পায়েস।
অথবা
রুটি সুজি ডিমভাজি সব্জী আলুভাজি
কিংবা খিঁচুড়ি মাংস ভুনা ডিমভাজি
কিংবা পান্তাভাত কাচামরিচ পেয়াজ ইলিশ সরষে আহা আহা আহা
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:২৩
ঢাবিয়ান বলেছেন: উফফ অসম্ভব প্রিয় সব আইটেম। সাথে লাল, নীল ফিরনি
ডল আপু কি খুব ব্যস্ত আজ ? একবারো পোস্টে উকি দিলেন না। উনার নাশতার খবর এখনও শোনা হল না।
১৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩২
আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,
পরোটার ছবি দেখে মনে হলো, সকালে গরম মচমচে পরোটা ঘন দুধের চা'য়ে ডুবিয়ে খাওয়ার যে অমৃত স্বাদ তা অনেকে জানেন কিনা! পরোটার সাথে মাংশের ঝোলও মন্দ নয়।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:২৬
ঢাবিয়ান বলেছেন: পরোটা ঘন দুধের চা'য়ে ডুবিয়ে কখনও খাইনি। এইবার ট্রাই করে দেখব। খুব ছোটবেলায় মা রুটি বা পরোটায় ঘি মাখিয়ে চিনি দিয়ে খেতে দিতেন মনে আছে।
১৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩৬
মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: চা এবং ডেজার্ট এর ছবি দেখে খাইতে মুঞ্চায়।
নাইস পোস্ট।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:২৭
ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ। খেয়ে নিন এইবেলা।
১৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:২৯
অপ্সরা বলেছেন: লাল নীল ফিরনী তো আমাদের বাসায় দেখেই সবাই ওয়াক ওয়াক থু থু করলো। শেষে সব আমাকেই খেতে হলো!
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৯
ঢাবিয়ান বলেছেন: : হা হা হা। দেখতেতো সেইরকম সুন্দর হয়েছিল তবে আমাকে ট্রাই করতে বললে আমিও মনে হয় ----
১৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৭
মিরোরডডল বলেছেন:
অপ্সরা বলেছেন: লাল নীল ফিরনী তো আমাদের বাসায় দেখেই সবাই ওয়াক ওয়াক থু থু করলো। শেষে সব আমাকেই খেতে হলো!
এটাকে বলে পাপের প্রায়শ্চিত্ত
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪১
ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু, আপনার অপেক্ষাতেই ছিলাম। আপনার নাশতার বিবরন দেন , সাথে একটা গান
২০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪২
মিরোরডডল বলেছেন:
ঢাবি, আমি খেতে এবং খাওয়াতে খুব পছন্দ করি ।
পুরো পোষ্ট জুড়ে এতসব মজাদার খাবারের কথা উল্লেখ হয়েছে যে আমার মতো ভোজনপ্রিয় মানুষের ক্ষুধা লেগে গেছে ।
এখন রাত ২.৪০ কি খাবো !!!!
অগত্যা এক কাপ কফি হয়ে যাক, তারপর ফিরে আসি মন্তব্যে ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫০
ঢাবিয়ান বলেছেন: ঘুমাতে যান আপু। আগামীকাল রবিবার। উইকেন্ডের নাশতার খবরের অপেক্ষায় রইলাম
২১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫২
মিরোরডডল বলেছেন:
এখন কিসের ঘুম?
ঢাবির নিশ্চয়ই ঘুম এসেছে, আই’ম সিওর
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩০
ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু, রাত ২.৪০ এও ঘুমান না ! আমি রাত ১২ টা পর্যন্ত অনলাইনে থাকি এরপর ঘুমাতে চলে যাই।
২২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৩
মিরোরডডল বলেছেন:
নাস্তায় স্পেসিফিক কিছু না ।
যখন যা খেতে ইচ্ছে হয়, সেটাই ।
অফিসের দিনে কুইক কিছু একটা, স্যান্ডউইচ অথবা ব্রেড টোস্ট, সাথে কফি ।
বাসায় থাকলে সময় নিয়ে নাস্তা বানানো হয় । তারমাঝে পরোটা অবশ্যই মুখরোচক ।
যদিও হেলথদি না কিন্তু পরোটা যেকোন কিছুর সাথে মজা । বেশি করে পেয়াজ মরিচ ধনেপাতা দিয়ে ডিম ভাজা, অথবা মিক্সড ভেজিটেবল, সবচেয়ে মজা পরোটা সাথে বিফ ভুনা । ইভেন চায়ের সাথেও ভালো লাগে । তবে মাস্ট অয়েলফ্রি পরোটা ।
বাসায় থাকলে টিপিক্যাল বাংলাদেশী স্টাইলে চুলায় করা চা বানাই ।
পোষ্টের চায়ের ছবি দেখে মনে হচ্ছে এটা একটুও মজা হয়নি
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৪
ঢাবিয়ান বলেছেন: সবচেয়ে মজা পরোটা সাথে বিফ ভু্না
একদম আমারো অসম্ভব প্রিয় একটা আইটেম। পোস্টের চাইয়ের টেস্ট একেবারে খারাপ না, আবার তেমন মজাও না
২৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩২
মিরোরডডল বলেছেন:
সোনাগাজী বলেছেন:
নাসি লেমাকের চিকেন ফ্রাইটা বাদ দিলে, বাকীটুকু স্বাস্হ্যকর। ধন্যবাদ।
স্বাস্হ্যকর কিন্তু রাইসের পরিমান অনেক বেশি ।
সাত সকালেই কেউ এতো খেতে পারে !!!
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৬
ঢাবিয়ান বলেছেন: ছবিটায় রাইসের যে পরিমান দেখে যাচ্ছে , বাস্তবে এর অর্ধেক দেয়া হয়। ছোট স্যূপ বোলের সমান এক বোল রাইস থাকে।
২৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৩১
মিরোরডডল বলেছেন:
জুল ভার্ন বলেছেন: আবার জার্মানিতে টানা আট মাস ভাত না খেয়ে কাটিয়েছি- যা একটানা ভাত না খাওয়ার রেকর্ড।
আমি নিয়ারলি চার বছর ভাত খেতাম না, খুব বেশি ইচ্ছে হলে ওয়ান্স ইন এ ব্লুমুন বাইরে থেকে নিয়ে আসতাম ।
সেসময় আমি বাসায় রান্না করতাম না । তিন বেলা বাইরে খাওয়া হতো । সকালে বাইরে যাবার সময় কফি শপ থেকে এক কাপ কফি, সাথে বানানা ব্রেড টোস্ট অথবা এনি বেকারি স্টাফ নিয়ে যেতাম । দুপুরে বাইরে লাঞ্চ করা আর সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার সময় ডিনার টেইক-ওয়ে নিয়ে আসতাম ।
তারপর কি হলো ?
একসময় বাইরের খাবারে চরম অরুচি চলে আসলো
I was craving for home cooking.
তখন থেকে বাসায় রান্না শুরু করলাম ।
প্রথম দিকে রান্না ভয়ংকর বাজে হতো ।
খাবো কি !!! নিজের রান্না দেখে নিজেই ভয় পেতাম
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে গেছে ।
Now I can cook anything, everything.
I love cooking.
তবে এটা সত্যি, নিজের জন্য রান্না করতে আলসেমি, একটা কিছু হলেই হলো ।
ফ্রেন্ডসদের জন্য করি, তখন মন দিয়ে যত এক্সপেরিমেন্ট আছে সেটা করি ।
রান্নার রেসিপির মেইন ইনগ্রিডিয়েন্ট ‘with love’ মাস্ট থাকতে হবে, তখন রান্না মজাদার হয় ।
আজকেও করেছি বিফ বিরিয়ানি, চিকেন কাবাব, চিংড়ি দোপেয়াজা, স্যামন ফিস উইথ লেমন সুইট ও সাওয়ার, পিনাট বাটার চিকেন ব্রেস্ট ফিলেট । লাস্ট আইটেম দুটো আমার নিজের রেসিপি, নো ইউটিউব ।
বন্ধুরা লাইক করে, তাই ওদের জন্য করতে ভালো লাগে ।
ঢাবির ভাগ্য ভালো যে আমার অফলাইন ফ্রেন্ড না, তানাহলে আমার গিনিপিগ হতে হতো
রাতে গজলের চেয়ে বেস্ট আর কি হতে পারে ।
শুভরাত্রি ।
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৬
ঢাবিয়ান বলেছেন: এত কিছু রাধতে পারেন আপনি ? আমার এতকাল ধরে মনে হত আপনি খুবই ক্যরিয়ার ওরিয়েন্টেড একজন মহিলা যে কিচেনের ধার কাছ দিয়েও যায় না, গেলেও বড়জোর ডিম ভাজা আর ভাত রান্না করতে পারেন
আহ গজল! একটা সময়ে খুব গজল শুনতাম । অনেক ধন্যবাদ গজলটার জন্য। গানটার সাথে চিত্রায়ন দারুন হয়েছে।
২৫| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:২৩
নেওয়াজ আলি বলেছেন: বৃহত্তর নোয়াখালির (ফেনী নোয়াখালি লক্ষিপুর) মানুষের সকালে খোলা জা পিঠাই আমার ফেভারিট। ডায়াবেটিসও এইটা দুরে সরাতে পারিনি।
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫০
ঢাবিয়ান বলেছেন: এই পিঠার চল আমাদের বাসায়ও ছিল। আমার মা কোথা থেকে যেন শিখেছিল। এর সাথে গরুর মাংশের পাতলা ঝোল অসাধারন লাগে। চিতই এর থেকেও এই পিঠা আমাদের কাছে বেশি ভাল লাগত।
২৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৭:০২
সোহানী বলেছেন: হায় হায় তোমাদের ওখানেতো গরীবানা অবস্থা নাস্তার...........
সে তুলনায় তো আমাদের রাজকীয় অবস্থা। আমাদের চারপাশে দেশী/ইন্ডিয়া/পাকিস্তানী/আফগানী/টার্কিস রেস্টুরেন্টে ভর্তি।
দৈাড়ের উপর থাকলে সকালের ম্যাকডোনাল্ড কিংবা টিমহর্টন ভরসা। সেখানে বেশ ভালোই অপশান আছে। কম দৈাড়ের উপর থাকলে ঘরের নাস্তা। কিন্তু এখানে এতো এতো অপশান আছে যে ঘরেই রেস্টুরেন্টের নাস্তা নিমেষেই বানানো যায়। কারন সবই হাফ কুক পাওয়া যায়। তারপরও মাঝে মাঝে উইকএন্ডে দেশী বা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে যাই। পরোটা, নিহারী, হালুয়া নিয়ে একটা প্যাকেজ থাকে, সেটা খাই।
আপনার এ ডেজার্ট ট্রাই করিনি, এবার বানাবো।
নাস্তার স্মৃতিতে ভালোলাগা।
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫৭
ঢাবিয়ান বলেছেন: নাহ আপু, ইন্ডিয়া/পাকিস্তানী/আফগানী/টার্কিস রেস্টুরেন্টে ভর্তি আমাদের এখানেও। তবে দেশি ভাল মানের রেস্টুরেন্ট নাই। অল্প যে কয়েকটা আছে খুবই নোংরা পরিবেশ।
কমেন্টএর জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
২৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: বিভিন্ন সময়ে আমি মনে হয় লিখেছি যে আমি সিঙ্গাপুরে থাকি। হোটেলের খাবার প্রতিদিন খাওয়া ঠিক নয়। সুরভি ভাবীর এত মজার মজার নাশতা ছেড়ে হোটেলে কম খাবেন। তবে দেশের হোটেলের নেহারি , পরোটা/ তন্দুর লা জবাব।
হ্যাঁ আমি জানি সিঙ্গাপুর। কিন্তু একবার মনে হলো- আবার দেশ পরিবর্তন করলেন কিনা।
সকালে হোটেলের নাস্তা খেয়ে সুরভিকে একটু অবসর দেই। বেচারি সারাদিন ঘরের কাজে অনেক ব্যস্ত থাকে। ছোট কন্যা ফারাজাকে অনেক সময় দিদতে হয়।
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫৯
ঢাবিয়ান বলেছেন: নাহ দেশ পরিবর্তন করার ইচ্ছে নাই। রিটায়ারমেন্ট এর পর ইচ্ছে আছে দেশে চলে যাব ।
২৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:১০
মিরোরডডল বলেছেন:
Right, I'm a career woman.
কিন্তু প্রবাদ আছে নাহ যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে, সেরকম।
ঢাবি পার্টলি ঠিক বলেছে, ওপরে বলেছি যে নিজের জন্য রান্নায় আলসেমি ।
I don't cook much frequent but I can cook pretty much everything when require.
১০ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:১৯
ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি ভাবতাম কাজের বাইরে কেবল গানই শোনেন
২৯| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৪২
ভুয়া মফিজ বলেছেন: মিরোরডডল বলেছেন: আজকেও করেছি বিফ বিরিয়ানি, চিকেন কাবাব, চিংড়ি দোপেয়াজা, স্যামন ফিস উইথ লেমন সুইট ও সাওয়ার, পিনাট বাটার চিকেন ব্রেস্ট ফিলেট । চাপাবাজীর দেখি কোন লিমিট নাই। সবগুলার ছবি দিলে বিশ্বাস করমু!!!
১০ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২২
ঢাবিয়ান বলেছেন: পুরাপুরি একমত। খাবারের ছবি না দিলে বিশ্বাষ করুম না।
মিরর ডল আপু, পরবর্তী পোস্ট হোক আপনার রান্না করা খাবারের
৩০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৫৫
মিরোরডডল বলেছেন:
হা হা হা এইতো ভূম ঠিক ধরতে পেরেছে
il est très intelligent.
মাই ডিয়ার ভূম, আমি যেমন নিজের ছবি তুলিনা বা ভিডিও করিনা, ঠিক সেরকম মাঝেমাঝে নেচারের ছবি ছাড়া কোন ছবিও তোলা হয়না কখনও, একদমই না ।
But if you really want, I can give you brief recipe, which is absolutely mine.
I’m sure, you must love it.
১০ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৫
ঢাবিয়ান বলেছেন: না না এইসব কথা বললে হবে না । শাময়া আপু লাল নীল ফিরনি ও আরো কত খাবারের ছবি দেয়। আপনি না দিলে আমরা আপনার রান্নার কথা বিশ্বাশই করুম না।
৩১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:১৫
ভুয়া মফিজ বলেছেন: রেসিপি দিয়া কি করবো? আমি নিজেই রেসিপি মাস্টার। কোভিডের পুরোটা দুই বছর বাসায় বসে বসে কতো কিছু যে রান্না করলাম.....এক্সপেরিমেন্ট করলাম, তার কোন ইয়াত্বা নাই। যাকগে, খাবার-দাবার নেচারের পার্ট; কাজেই এদের ছবি তুলতে সমস্যা হওয়ার কথা না। আং সাং কথা বলে কোন লাভ নাই। ছবি চাই।
ছবি দেখলেই কেবলমাত্র আমার চক্ষু-কর্ণের বিবাদ মিটবে!!!
১০ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৭
ঢাবিয়ান বলেছেন: ইউটিউবের কল্যানে সবাই এখন রেসিপি মাস্টার
৩২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩৪
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আমি মন্তব্য পড়েই বেশ মজা পাচ্ছি। মিরো তো অনেক সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করেছে, ভাত খাওয়া ছেড়েছে আমি কিন্তু ভাই ভেতো বাঙালী সকালে ভাত খাই তারপর কামে যাই। দুপুর রাত তিন বেলা ভাত খাই তবে ছুটির দিন দেরীতে ঘুম থেকে উঠে পরাটা ডিম সবজি ছাড়া একেবারেই চলেইনা।
১০ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৮
ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়েতো ভয়ে আছি। তিনবেলা হাত দিয়ে ভাত খান শুনলেতো জনৈক ব্লগার এই পোস্টে হাজির হয়ে আগুন ধরিয়ে দেবে
৩৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৪৭
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ভাই বুরবুর চাচা ফুল রেসিপি দিন ট্রাই করবো।
আমার সপ্তাহ ে পাঁচ থেকে ছয় দিন আটার রুটি বা পরোটা সাথে সেমাই কিংবা মিষ্টি বা সুজি আবার কখনো মাংস বা সবজি বা ভাজি। হঠাৎ দু একদিন গরম ভাত সাথে ডিম ভাজা আলু ভর্তা।
কখনো কখনো ভুনা খিচুড়ি বা বৌভাত।
১০ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩১
ঢাবিয়ান বলেছেন: ইউটিউবে সার্চ দেন বুবুর চাচা লিখে । তবে খেয়ে যা বুঝলাম তাতে মনে হল নাড়িকেল দুধ জাল দিয়ে তাতে yam , মিষ্টি আলু, কিছু ফল এবং রঙ্গীন কিছু জেলো দেয়া হয়েছে।
৩৪| ১০ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:১৩
রানার ব্লগ বলেছেন: সকালের নাস্তা ভালো না হলে দিন কাটে বেশ খারাপ !!! যে টুকু বুঝেছি আপনি সকালের নাস্তা নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট না । আপনার জায়গায় আমি থাকলেও একদম সন্তুষ্ট হতাম না । এটাই স্বাভাবিক । আমার তো আরো বাজে সমস্যা আম্মার হাতের পরটা ছাড়া আমি অন্য কারো হাতের পরটা মুখে রোচে না !!!
১১ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:২৫
ঢাবিয়ান বলেছেন: হাতে বানানো পরোটার স্বাদই আলাদা আর যদি সেটা হয় মায়ের হাতে তবে তা তুলনাহীন।
©somewhere in net ltd.
১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৫২
শাহ আজিজ বলেছেন: আজ সকালে শুকনো আটার রুটি আর ডিম ভাজা , ডায়াবেটিক মিষ্টি ব্যাস হয়ে গেল ব্রেকফাস্ট । ধীরে চা বানিয়ে খেলাম । ইচ্ছা করলেও বেশি খেতে পারিনা । মাঝে সাঝে আলু ভাজি , পাতা কপি ভাজি চলে । চারুকলায় থাকতে শাহ্নেওয়াজ হলের পাশে রেস্টুরেন্ট থেকে পরোটা আলু ভাজি খেতাম । গেটে কাদের মিয়ার চা , আহা ।