মাত্র ১ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ১ এমবি ভিডিও,
ডিজিটাল বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার বলে ক্ষ্যাত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহাম্মেদ সেদিন এক সংবাদ সন্মেলনে বলেন গত তিন বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ খালি অইতেই আছে, পেরপেরি। এর মধ্যে বেড়েছে ইন্টারনেটের গতি কমেছে দাম, নেটওয়ার্কের উন্নয়ন হয়েছে ব্যপক ইত্যাদী। তিনি টেলিযোগাযোগের একটু খাতের সামান্য আয় ৩ হাজার কোটি, ১৭শ কোটি, ৭শ কোটি অংক গুলো এত আস্তে উচ্চারন করলেন যেন এগুলো কোন টাকাই না।
এরকম একটা বলদ কিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিকতম শতাব্দীতে একটি ডিজিটাল দেশের বিটিআরসির মত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দপ্তরের প্রধান হয় তা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য এবং ঘটনা যথারিতি বাংলাদেশে।
তথ্যপ্রযুক্তিতে সর্বদা পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনার পরও এমন একটা "ব ল দ" কে বিটিআরসিতে কোন শত্রু ছাড়া মিত্র বসায় না। গত তিন বছরে এ দেশের কি ব্যাপক ক্ষতি করেছে তা হিসাব করে শেষ করা যাবে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিন মাসের মধ্যে থ্রিজি রোল আউট করা সম্ভব থাকলেও শুধু প্রলিসিটা কি হবে তা করতে তিন বছর পার করে দিয়েছে। যার ফলে দেশে এখনও ৩জি ওপেন হচ্ছে না। এই বলদ তো বলছে দেশে ইন্টারনেটের দাম কমছে অথচ তরঙ্গের দাম বেশি রেখে জনগণকে দ্রুতগতি পেতে দিচ্ছে না, তাহলে কার জন্য নেটের দাম কমালো, জনগণ, না ওর বাপ আইএসপি ওয়ালা ? এই বলদ না থাকলে আজ দেশে ইন্টারনেটের মূল্য কমপক্ষে "৫ এমবিপিএস আনলিমিটেড ৫০০ টাকায় নেমে আসতো"।
একে বলদ বলে আসলে ফেভারই দিচ্ছি কারন তানা হলে বলতে হবে অনেক বড় ষঢ়যন্ত্রকারী, রাজাকারের চেয়েও বড়, এর বিচার একদিন অবশ্যই হতে হবে।
১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২৬ ০