somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুধু মাত্র বিবাহিতদের জন্য

১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোট বাচ্চারা ঘুমাতে যাও, এটা একটি বড় দের পোষ্ট, বড়দের পোষ্ট পড়তে হয় না সোনা, আর অবিবাহিত রা পোষ্ট না পড়ে চোখ বুঝে সোজা প্রিয়তে রাখন, কারন আমার এই পোষ্ট শুধু মাত্র বিবাহতদের জন্য। যখন বিয়ে করবেন তখন কাজে লাগতে পারে।
ব্লগে কোন সুড়সুড়ি মূলক পোষ্ট দিতে আমার ভাল লাগেনা, কিন্তু কিন্তু অতি দুখের সাথে বলিতে হয়, বি্বাহ অনেকে করেছেন, কিন্তু সুখী কয়জন???
আমার বন্ধুদের বিবাহিত জীবনের অনেক কথা শুনেছি, একজন ছেলে ও মেয়ে বিবাহিত জীবনে যত টুকু প্রত্যাশা করে বাস্তাবে তার কোন মিল নেই, অবিবাহিতদের জীবনে একটাই স্বপ্ন সুন্দর দম্প্যত জীবন, কিন্তু বাস্তবতা অনেক ফারাক দেখা যায়, অপুরুন স্বপ্ন, ইচ্ছা শক্তির পরাধীনতা, প্রত্যাশিত জীবনের অবস্তবতা, দাম্পত্য জীবনে দুঃখ কষ্ট এনে দেয়, ফলে সমাজে পরকীয় প্রেমের উৎথ্যান ঘটে, অসুখী দাম্পত্যরা মনের সু্প্ত বাসনা গুলি পূরন করার জন্য পরকীয়তা লিপ্ত হয়, ফলে আমাদের সামাজে নানা অঘটন ঘটছে।
ভাষন দিয়া লাভ নাই, ভাষন দেওয়া জ্ঞানীদের কাজ, আমি দাম্পত্য জীবনের জন্য কিছু টিপস্ দিতে পারি।
১। বিয়ের আগে ভাবুন কি রকম মেয়েকে আপনি জীবনর জন্য সবচে উপযুক্ত।
২। আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী মেয়ে নির্বাচন করুন।
৩। ভুলে ও আপনার চাইতে বেশী শিক্ষিত, বেশি ধনী মেয়ে বিয়ে করবেন না, হয়তো তার জন্য সারা জীবন পস্তাতে হবে, (কানে কানে বলি আপনার চাইতে বেশী শিক্ষিত, ও বেশী ধনী হলে তার টেম্পার হবে ১২০ ডিগ্রীর উপড়, অবশ্যই সব মেয়ে একরকম না)
৪। বাসর রাতে অবশ্য বিড়াল মেরেছেন তো??? নাকি বিড়ালে জ্বালায় এখনো জ্বলছেন, না মেরে থাকলে নিচের মেনুটি অনুসরন করুন।
৫। বউয়ের কাছে আপনার দূর্বল দিক গুলি কোনটি, তা নির্বাচন করুন। যতদূর সম্ভব দূর্বলতা কাটিয়ে উঠুন, বউয়ের কাছে কোন দূর্বলতা আপনার মানসিক ও শারীরকতার উপড় প্রভাব পড়ে, যা ভবিষ্যতের জন্য মারাত্নক ক্ষতি কর,
৬। নিজের মনে অন্য কোন মেয়ের স্থান দিবেন না, মনে রাখবেন আপনি যতই চালাক হোন না কেন, অন্য মেয়ের সাথে সর্ম্পক একদিন না একদিন আপনার স্ত্রী জানবেনই, (কানে কানে মেয়েরা খুব সন্দেহ প্রবন আপনাকে সব সময় চোখে চোখে রাখে)
৭। স্ত্রী কে প্রচুর ভালবাসা দিন, তার ভাল লাগা দিক গুলি গুরুত্ব দিন, দেখবেন সে ও আপনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠবে।
৮। মেয়েরা স্বামীর সাথে বেড়াতে ভালবাসে, অতএব, অল্প খরচে অধিক সময় থাকা যায়, এমন স্থান র্নিবাচন করুন, (যদি টাকা পয়সার টানাটানী থাকে)
৯। আপনি রাতে ঘুমান কি ভাবে??? সব সময় বউকে জড়িয়ে ঘুমাতে চেষ্টা করুন, (যদিও ডিজিটাল দেশে বিদু্ৎ সমস্যার কারনে গরমে রাতে ঘুমানো কষ্ট কর)
১০। ঐ কাজের পর বউয়ের কাছ থেকে ১০০ হাত দুরে চলে যাবেন না, তাকে বুকে জড়িয়ে বিশ্রাম নিন, এতে ভালবাসা বাড়ে। (পরীক্ষিত)
১১। রাস্তা ঘাটের এবং বাসে ঢিল ছোড়া বিজ্ঞাপনের প্রতি কি আপনার দূর্বলতা আছে ( আই মিন বিশেষ অঙ্গের দুর্বলতা) স্ত্রীর সাথে ঐ সময় যদি ক্ষনস্থায়ী হয়, তবে মানসিক ভাবে ধীঢ়তার প্রস্তুত থাকুন, যখন মনে হবে আপনি ফেল মারতাছেন, তখনি বন্ধ করে স্ত্রীকে চুম্মন, লেহন, আদর করুন, অথবা হালকা, মজা করুন, তার পর আবার শুরু করুন। (এটাও পরীক্ষিত)
১২। বিয়ের আগে যাই বলুন না কেন, বিয়ের পর কিন্তু কখনো বউকে বলতে যাবেন না, তুমিই আমার সব, তুমি ছাড়া জীবনে আমার কিছু, নেই,
( এই সব কইছেন তো মরছেন, বউ য়ের টেম্পার বেড়ে যাবে, এখন ঠেলা সামলান, আমি এর ভিতর নাই,)
১৩। পারতো পক্ষে বউয়ের দূর্বলতা নিয়ে কথা বলবেন না, তা হলে বউ খুব মন খারাপ করবে ফলে মেজাজ সব সময় খিটখিটে থাকবে।
১৪। অযথা সন্দেহ করনে না, যদি সন্দেহ যুক্ত কিছু ধরা পড়ে তবে বউ কে কিছু না বলে তদন্ত করুন, (আবার তদন্ত প্যনেল গঠন করবেন না, কারন যদি মিথ্যা সন্দেহ হয় তবে লজ্জার শেষ থাকবে না, বউ য়ের খোটা শুন বেন আজিবন ফ্রি) সন্দেহ হলে প্রমান হাতে নিয়ে বউ কে রিমান্ডে নিন, জিঙ্ঘ্াসা বাদ করুন, যদি যথা যথ উত্তর না দিতে পারে, বেধম মার দিন, চোখের পানিতে ভুলবেন না, মাইরের উপড় কোন উষুদ নাই( মার তে মারতে আবার অজ্ঞান কইরেন না, মেয়েরা খুব আবেগ প্রবন, সুতরাং মাইরের পর কোন অঘটন ঘটারে পারে সে দিকে খেয়াল রাকুন, বাপের বাড়ি যেতে দিবেন না,) পরদিন বউকে নিয়ে কোন রেষ্টুরেনটে খেতে যান, এবং বউকে বুঝান আপনি তাকে কত ভালবাসেন, অতীতের ভালবাসার দিক গুলি উপস্থাপন করুন, পারলে তাকে নিয়ে সুন্দর কোথাও বেড়াতে যান,
এর পর ও যদি বউয়ের প্রেমিকা আছে এমন প্রমান পান, ছাইরাদে মা কান্দা বাচি, এ মেয়ে আপনার জীবনের জন্য নয়, সে তার প্রেমিকের অতএব অন্যর বউ নিয়া নিজের জীবনে অশান্তি এনে লাভ কি???
‍"একলা চলরে " অনুসরন করুন, জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবুন,( এটা শুধু যাদের ছেলেমেয়ে নাই তাদের জন্য)
ঘুমে ধরছে আজ যাই আরেক পর্বে শেষ করুম, আমি আবার বাংলায় কাচা, লেখতে গেলে দুইডা কিবোর্ড ভাঙ্গন লাগে।
৭২টি মন্তব্য ২১টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গার্মেন্টসের ভিতরে লুকানো বাস্তবতা—যা আমরা কখনো দেখি না

লিখেছেন Sujon Mahmud, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৫২



সকাল ৬টা। ঘুম ভাঙার আগেই যেন জীবন তাকে টেনে তোলে। রহিমা চোখ খুলেই কিছুক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়—
আরেকটা দিন, আবার সেই একই লড়াই।

রহিমা একজন গার্মেন্টস কর্মী। বয়স মাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×