somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতীয় পন্য বর্জন এর প্রথম ধাপ ইন্ডিয়ান সিরিয়াল তথা ইন্ডিয়ান চ্যানেল বর্জন

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেলানি হত্যাকান্ডের রায় মানি না। প্রতিবাদে ভারতীয় সব টিভি চ্যানেল সম্প্রচার বন্ধ করা হউক।

আমি এটাকে শুধু ফেলানী হত্যার প্রতিবাদ মনে করি না। আমি মনে করি সকল সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ।
যখন ই বলি আসুন ভারতীয় চ্যানেল বর্জন করি প্রতিবাদ হিসেবে আমার পাশের কেও হয় বলবেন চ্যানেল বাদ দিলে কি হবে ভারতের পন্য ছাড়া তো এক দিন ও চলতে পারবো না।
স্বীকার করছি । Globalization এর যুগে সেইটা আসলে ই possible না।
তবে কথা থেকে যায় । আচ্ছা ধরুন আপনার সামনে বাংলাদেশী পন্য আর ইন্ডিয়ান পন্য রাখা হলো আপনি কি নিবেন ? কোন টা নিবেন ? বুকে হাত দিয়ে আমি বলব আমি বাংলাদেশী টা ই নিবো।
যে খানে আমাদের opportunity আছে সেই খানে কেনো আমরা ভারতীয় পন্য কিনতে যাবো?


আজ কে যদি বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান চ্যানেল গুলোর উপর একটু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়, আস্তে আস্তে কমিয়ে ফেলা হয় তাহলে কি দাঁড়াবে ? ভারতীয় পন্যের বিজ্ঞাপন দেখা থেকে মুক্তি পাবেন, সকাল ঘুম থেকে উঠে টিভি খুলে দেখেন তারা যে প্রোডাক্ট দিয়ে দাত মাঝতেছে আপনার মনে ও সেই বাসনা জাগবে । তাই আপনি সকাল থেকে ই তাদের মাঝে হারিয়ে যান । থাকেন বাংলাদেশে কিন্ত চিন্তা চেতনায় আপনি ইন্ডিয়ান । বিশ্বাস হচ্ছে না । আসেন প্রমান করি । আপনি যখন সারা দিন ইন্ডিয়ার সিরিয়াল গুলো দেখতেছেন কি হচ্ছে আপনার মননে ? শুধু ই তাদের কালচার টা কে আপনি ধারন করতেছেন। তাই ইন্ডিয়ায় পন্য বর্জন করার আগে ই সবার আগে বর্জন করতে হবে ইন্ডিয়ার সিরিয়াল । আমরা যদি সচেতন হই সরকার ও বন্ধ কর দিতে পারবে এই সব চ্যানেল।
হুম বলবেন বাংলাদেশে ভালো মানের সিনামা তৈরী হয় না। হেন তেন। আচ্ছা গেরিলা , আমার বন্ধু রাসেদ এই মুভি গুলো দেখছেন ? এই বার হয়ত বলবেন খুব নগন্য সংখ্যক । আচ্ছা কত টা সাড়া পড়ছে এই মুভি গুলো তে? যদি আমরা এই মুভি গুলো সাড়া ফেলতে পারতাম আর ও মুভি তৈরী হত । আমরা ইংলিশ মুভি দেখি , চাইনিজ মুভি দেখি সেই অনুপাতে ভারতীয় মুভি দেখতে পারি কিন্তু কোনো ভাবে সিরিয়াল না। আবার ও বলি globalization এর যুগে ভারত এর মুখ দেখব না পন করে থাকতে পারবো না । তবে ভারত প্রীতি থেকে তো সরে আসতে পারি ।
কিছু কুলাঙ্গার কে দেখি ভারত এর সাথে ক্রিকেট ম্যাচ হলে ভারত এর সাপোর্টার তারা। এরা মাঝে সাঝে যুক্তি দিতে আসে আমার কেনো জানি রুচি হয় না এদের সাথে তর্কে যাওয়ার। আমি হারি জিতি বাংলার ক্রিকেটের ই এক মাত্র সাপোর্টার। জিতলে যেমন কাধে তুলে আমরা নাচি আবার হারলে আমরা ই গালি দেই আমাদের ছেলে গুলো কে। এই যে হেরে গেলে গালি দেই এই টা ও এক ধরনের ভালোবাসা ।

ইন্ডিয়ার স্বাধীনতার ২৪ বছর পরে আমরা স্বাধীনতা পাই। আমরা তাদের থেকে ২৪ বছর পিছিয়ে আছি। যদি ইন্ডিয়ার চ্যানেল গুলো থেকে আমরা বের হয়ে না আসতে পারি আগামী ১০ বছর পরে আমরা ৫০ বছর পিছিয়ে যাবো তাদের থেকে।
আবার ও বলি ইন্ডিয়া কে বর্জন না। ইন্ডিয়া প্রীতি কে বর্জন করতে হবে প্রথমে।

আপসোস হয় এই দিকে ঝুলে গুলির আঘাতে সীমান্তে এক বোন ,আরেক দিকে ঝুলে স্টার জলসা দেখতে না দেওয়ার অভিমানে আত্বহত্যায় আরেক বোন।


বাজারে গিয়ে আগে না হয় দেশী তেল টা ই নেই । যদি না থাকে তো ইন্ডিয়ার টা না হয়।
অথ্যাৎ বলতে চাইতেছি এক বারে না পারলে নিবো।
আমরা এখন ও স্বয়ংসম্পুর্নটা অর্জন করতে পারি নাই, তাই আমরা বললাম আর করে ফেললাম তা হবে না।
তবে ভারত বর্জন এর প্রথম ধাপ অবশ্যিই ভারতীয় চ্যালনেল বর্জন করা।
আমাদের কত গুলো চ্যানেল ভারতে যায়? আনুপাতিক হারে এই দেশে ঠিক তত গুলো চ্যানেল ই চলতে দেয়া হোক।

বলবেন চ্যানেল বন্ধের দাবিতে পাশে কাওকে পাবেন না। হুম পাইনি। প্রথম যে দিন এই নিয়া আমি পোস্ট করি আজ থেকে দেড় বছর আগে সেই দিন আমার এক বন্ধু গালী দিয়া ইনবক্স করছে। গত ৬ মাসে যখন এই নিয়া কথা বলছি অনেক গুলো মানুষ কে দেখেছি আমার মত করে কথা বলছে। নিজে থেকে এগিয়ে গিয়ে তাদের কে বলছি আমি ও ছিলাম এবং আছি এবং থাকব । প্রতিবাদ হোক। বিজয় আসবে ই ।


১০টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা অপরাধ দশটা অপরাধের সুযোগ করে দিতে পারে ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


রাড্ডা হাসপাতালে লুটপাট
ঢাকার মিরপুর এক নম্বরে রাড্ডা ক্লিনিকের ওপর দিয়ে যেন টর্নেডো বয়ে গেছে! গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতের অন্ধকারে ১৫০-২০০ জন দুর্বৃত্ত রাড্ডা ক্লিনিকের ভেতরে প্রবেশ করে রীতিমতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×