somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

***ইহুদী চক্রান্ত, হে মুসলিম ভাইয়েরা সাবধান!*** (দ্বিতীয় পর্ব)

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

***ইহুদী চক্রান্ত, হে মুসলিম ভাইয়েরা সাবধান!*** (প্রথম পর্ব)

বিশ্বব্যাপী ইহুদীবাদ তথা সারা বিশ্বকে ইহুদীদের পদতলে আনার জন্যে ইহুদীরা একটি গোপনীয় দলীল প্রণয়ন করে। তাদের এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের দলীল ১৯০৫ সালে সর্বপ্রথম জনসম্মুখে প্রকাশ পায়। প্রফেসর নাইলাস সর্বপ্রথম বইটি প্রকাশ করেন।

মুসলামানদের ঈমান হরণ করার জন্য ইহুদীরা সুগভীর চক্রান্ত হাতে নিয়েছে। কেননা প্রকৃত ঈমানদারেরা একত্ববাদের মাধ্যমে পরস্পর ঐক্যবদ্ধ থাকে। মানব জাতির মধ্যে পারস্পারিক ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় থাকে। যেখানে সকলের সমানাধিকারই ছিল মূল কথা। ঈমানের জোরেই তারা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহর কর্তৃত্ব মেনে নেয়, কাজেই তাদের ঈমানকে যদি দূর্বল করে দেওয়া যায় বা এমন একটা ব্যবস্থা করা যায় যাতে করে মুসলমানরা ‘ঈমান কি’ এই বিষয়টি নিয়ে ভাবার সময়ই যেন না পায়।

এর ৪নং প্রটোকলে তারা এই দিকটি নিয়েই আলোচনা করেছে। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে আরেকটি তথ্য দিয়ে নিই যা আপনাদের বক্তব্য বুঝতে সাহায্য করবে।

Goyim: শব্দের অর্থ অনইহুদী, মানে যারা ইহুদী না তাদেরকে Goyim বলা হয়।

মানুষ যাতে তাই ঈমান নিয়ে তৃপ্তি সহকারে জীবন অতিবাহিত করতে না পারে সেজন্য তারা ঈমানকে দূর্বল করার সুগভীল পরিকল্পনা হাতে নেয়।

প্রোটকল থেকে ভাবানুবাদঃ Goyim জনগণের মধ্য থেকে খোদার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার ধারণা মুছে ফেলতে হবে এবং সে স্থলে শুধু গণিতের হিসাব পত্র ও বস্তুতান্ত্রিক জরুরতের অনুভূতি প্রবল করে তুলতে হবে।

গইম সমাজের লোকগণ যেন চিন্তা ও লক্ষ্য করার সুযোগই না পায় সে জন্য আমরা এদের মন-মগজকে শিল্প ও ব্যবসার দিকে ঝুকিয়ে দিব। এর ফলে স্বার্থের নেশা গইম জাতিগুলোকে গ্রাস করে ফেলবে এবং পারস্পরিক প্রতিযোগিতায় এরা এমনভাবে অন্ধ হয়ে যাবে যে, এদের সকলের একমাত্র শত্র“র দিকে চোখ তুলে তাকাবার ফুসরৎটুকু পাবে না। পুনরায় আযাদীর মারফত জাতিগুলোকে চিরদিনের মত ধ্বংস ও বিক্ষিপ্ত করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফটকাবাজারের আবর্তে নিক্ষেপ করবো। এর ফলে শিল্প কারখানা দেশ থেকে যা কিছু সংগ্রহ করবে ফটকা বাজারের মাধ্যমে তা আমাদের হাতেই এসে পড়বে। পরস্পরের উপর প্রাধান্য বিস্তারের তীব্রতর দ্বন্দ্ব এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আমাদের বজ্র-আঘাত নিরসক্ত, উদাসীন ও হৃদয়হীন সম্প্রদায়ের জন্ম দিবে (বর্তমান জামানায় তাই হচ্ছে!)।

এ সম্প্রদায়গুলো উচ্চতর রাজনীতি ও ধর্মের প্রতি চরম ঘৃণা পোষণ করবে। তাদের একমাত্র আদর্শ হবে স্বার্থ অর্থাৎ সোনা*। পার্থিব

সুখ ও আরাম-আয়েশের খাতিরে তারা সোনার পূজারী হয়ে যাবে।
এস্তরে পৌছার পর গইম সমাজের নিম্ন শ্রেণীল লোকেরা আমাদের নেতৃত্বে তাদের সমাজের বুদ্ধিমান শ্রেণীকে আক্রমন করবে। এ শ্রেণীটিই প্রকৃতপক্ষে আমাদের দুশমন। গইম জনতা কোন কল্যাণের জন্য সকল সম্পদ হস্তগত করার উদ্দেশ্যে এ আক্রমন করবে না। আমাদের দ্বারা দীর্ঘকাল যাবত বুদ্বিমানদের বিরুদ্ধে একটানাভাবে প্রচারিত বিদ্বেষের ফলেই এরা নিজেরাই সমাজের উত্তম লোকদের আঘাত করতে এগিয়ে আসবে।

*সোনাটিকে অর্থরূপে পড়তে হবে।


***প্রটোকল পুস্তকের আরো কতগুলো বিষয়কে নিম্নে সংক্ষিপ্ত আকাড়ে তুলে ধরছিঃ
(১) ধর্মের প্রতি যুবসমাজকে বীতশ্রদ্ধ করে তোলা এবং ধর্ম নেতাদের বিদ্রুপের পাত্রে পরিণত করা।
(২) শরাব, জুয়া, সিনেমা ইত্যাদির নেশায় যুবসমাজকে উন্মাদ করে তোলা এবং নাইটক্লাব ও সোসাইটি লেডীদের মাধ্যমে নৈতিক উচ্ছৃংখলতার উৎসাহ দান
(৩) পুঁজিবাদী অর্থনীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈষম্য সৃষ্টি এবং শ্রমিক আন্দোলনের নামে সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলা নষ্ট করা।
(৪) এক নায়কবাদী শাসনের মাধ্যমে জনগন ও সরকারের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ঘৃণ্য ও বিদ্বেষ সৃষ্টি।
(৫) মুসলিম রাষ্ট্র নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ ও শত্র“তা সৃষ্টি করে তাদরে দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষে লিপ্ত করা।


যারা মূল প্রোটকলটি পড়তে চানঃ এখানে ক্লিক করুন

যারা শুধু এই অংশটুকুর মূল লেখাটি পড়তে চানঃ এখানে ক্লিক করুন

উইকিপিডিয়া লিংক

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
৮টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রসঙ্গঃ নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় বাংলাদেশ চ্যাপ্টার.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১০:৫৮

বাংলাদেশ সম্পর্কে নিউইয়র্ক টাইমস এর নিউজটা যথাসময়েই পড়েছিলাম। নিজের মতো করে রিপোর্টের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট লিখতেও শুরু করে ছিলাম। কিন্তু চোখের সমস্যার জন্য বিষয়টা শেষ করতে পারিনি।

এবার দেখা যাক বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশী রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত ট্যারিফ নিয়ে যত ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৪১


আমাদের রাষ্ট্রপতি মহোদয় জনাব ট্রাম্প আজ বিকেলেই সম্ভবত ৫০ টিরও বেশী দেশের আমদানীকৃত পণ্যের উপর নতুন শুল্ক বসানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনিও একটি তালিকাও প্রদর্শন করেছেন। হোয়াইট হাউসের এক্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুদ্ধতার আলোতে ইতিহাস: নবী মুহাম্মদ (ﷺ) ও উম্মে হানীর (رضي الله عنها) বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৯:৩০


প্রতিকী ছবি

সম্প্রতি ইউটিউবার ইমরান বশির তাঁর এক ভিডিওতে নবী মুহাম্মদ (ﷺ) ও উম্মে হানী (رضي الله عنها)-এর সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই দেশ থেকে রাজনৈতিক অন্ধকার দূর করা যায় কিভাবে?

লিখেছেন গেঁয়ো ভূত, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:১৪

রাজনৈতিক অন্ধকার দূর করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং বিষয়, যা দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য। এই সমস্যা সমাধানে দেশের নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাব্যবস্থা, এবং প্রশাসনের যৌথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ : নানা মুনীর নানা মত !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:২২


ডোনাল্ড ট্রাম্পের রপ্তানি পণ্যের উপর শুল্ক আরোপের ঘটনায় দেশজুড়ে উচ্চশিক্ষিত বিবেকবান শ্রেনীর মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। আমরা যারা আম-জনতা তারা এখনো বুঝতে পারছি না ডোনাল্ড ট্রাম্প কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×