somewhere in... blog

ফিরে দেখা এক জন্ম কথা।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



২৯
নিয়তি শরীরে একটু তাপ বোধ করলেও এখন তার ভালো বোধ হচ্ছে। ঘুম ঘুম পাচ্ছে। নার্স বললো সাবধানে থাকতে।ভারী কাজ না করতে। নার্স হাসপাতাল ডাক্তার---এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে নিয়তি ঘুমিয়ে পড়লো। দিবাকর বাচ্চা দুটোকে নিয়ে ছৈয়ের বাইরে এসে বসলো। নিয়তি ঘুমোক। জলে জলে দিন কাটছে। কী অবস্থা হয়েছে দেশটার। বাঁচার আশা করতেও যেন শরীর কাঁপে। শ্রীমন্তপুর পর্যন্ত পৌঁছোন যাবে কিনা কে জানে। অধীর আর তার ছেলেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। বাড়ি থেকে বেরনোর পর থেকে এই অবধি আবহাওয়া ভালই ছিল । কিন্তু আজ সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। তাতে অবশ্য রোদের তাপ অনেকটা কম লাগছে। অল্প অল্প হাওয়াও দিচ্ছে। একসময় বাচ্চা দুটো দেখা গেল পাটাতনের উপরেই ঘুমিয়ে পড়েছে। দিবাকরের ঘুম এলেও সে জেগে থাকার চেষ্টা করছে। এতক্ষণ মনে হলো বিল পার হচ্ছিল তারা। বেলা পড়ে গেছে। এখন একটা খালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামনেই একটা বাজারের মত জায়গা দেখা যাচ্ছে। কিছু নৌকাও আছে। সাধারণত লোকালয়ে থামার কথা নয়। তবে অনেকক্ষণ হয়েছে ।এখন একটু বিশ্রামের দরকার আছে মনে হচ্ছে। দিবাকরের প্রশ্নের উত্তরে অধীর জানালো সামনের ওইটা লালচান্দের বাজার। এইহানে থামন যাইতনা। আরও সামনে গিয়ে থামন লাগবো। খালে নৌ চলাচল খুব কম। বাজারের কাছাকাছি হতেই তাদের নৌকাকে ইশারা করা হলো থামার জন্য। অধীর জলপথের নীতি অনুযায়ী নৌকা আস্তে করে ঘাটের দিকে নিয়ে গেল। দু একটা করে বাতিও এদিক ওদিক জ্বলে উঠছে। ঘাটে থামার পর ঘাটে দাঁড়ানো দুচার জন তাকে জিজ্ঞেস করলো---নাউ আহে কইথাইক্যা—যাইতাছে কই—ইত্যাদি। বোঝা গেল সাধারণ মানুষই। কিছু খবর আছে কিনা জানার আগ্রহ তাদের। কিন্তু এরাতো ডাকেনি,ডেকেছে যারা তারাত প্যান্ট শার্ট পরা ছিলো। তারা কই! অধীরের সঙ্গে এরা কিছু খবরাখবর বিনিময় করে চলেও গেল। যাওয়ার সময় বলেও গেল—সাবধানে যাইও মাঝি ভাই। জলপথে যাতায়াত কি বন্ধ হয়ে গেল নাকি? সত্যি সত্যি তেমন সওয়ারী নাউ ত দেখা যাচ্ছে না! এদিকে নদীর পাড় বেশ উঁচু। নৌকা থেকে বাজার পুরো দেখা না গেলেও বোঝা যাচ্ছে মানুষজন কম।
তবু থামাই যখন হলো,অধীর ভাবলো একটু খাওয়ার জলের সন্ধান করা যাক। সেই মত সে হানিফকে সঙ্গে নিয়ে নৌকা থেকে নেমে খাওয়ার জলের সন্ধানে গেল । ইতিমধ্যে দুজন যুবক হঠাৎ কোথা থেকে যে উদয় হলো বোঝা গেল না—একেবারে নৌকাতেই এসে উঠে পড়লো। দিবাকর আর পরাণ দুজনই সপ্রশ্ন উঠে দাঁড়িয়ে পড়লো। প্রশ্ন করার আগেই অবশ্য তারা বললো ভয়ের কিছুনা—আমরা দু একটা কথা বলতে এসেছি। বসেন বসেন--। নির্বাক দিবাকর আর পরাণ ওদের কথায় বসেও পড়লো। সেই একই প্রশ্ন। কোথা থেকে আসছেন—নৌকায় কে কে আছে-- যাবেন কতদূর—বাড়ি কোথায়—ইত্যাদি । নেত্রকোণা থেকে আসছে শুনে নেত্রকোণার কী খবর জানতে চাইল। এরমধ্যেই দুই কলসী জল নিয়ে অধীর আর হানিফ এসে পড়ে। অতঃপর অধীরের সঙ্গে তাদের অনেকটা কথা হয়। কিন্তু আগন্তুক ছেলেদুটো যা বললো তা তাদের পক্ষে বেশ কঠিন। নদী পথ নৌকা শূন্য হয়ে পড়ছে এই জন্যই যে জল পথে মিলিটারি হামলা হবে এবার। মুক্তি যোদ্ধারাও প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখানেও বেশি সময় থাকা নিরাপদ নয়। পরামর্শ করে ঠিক হলো যে এই বাজার থেকে চিড়ে গুড় কিনে নিয়ে, তাই খেয়ে তাদের তাড়াতাড়ি বিষনা্‌, ধরের খা্, গাইল্‌, এগুলো পার হয়ে হাঁসকুরি বিলে পড়তে হবে। ওর পরে আর তেমন বিপদ নেই। তবে বিষনাই ধরের খাল এলাকাটি বিপজ্জনক। সেই মত তাড়াতাড়ি করার জন্য আগন্তুকদের একজন দিবাকরের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের খাবার আনতে চলে গেল।

একজন একজন করে খাওয়া আর নৌকা বাওয়া একসঙ্গেই চলতে লাগলো। নিয়তির জন্য সামনের দিকটা ছেড়ে দেয়া হলো। বিপদের বার্তাটা নিয়তি পেলেও তার প্রতিক্রিয়া খুব কম।চোখে এখনও ভারি ঘুম তার। তবু কোনোমতে জল দিয়ে চিড়েগুড় মেখে সবাই মিলে খেয়ে নিয়ে সে বাচ্চা দুটকে নিয়ে ছৈএর ভেতরে গিয়ে শুয়ে পড়লো। হাওয়াটা, তারা যত এগোচ্ছে তত ঠান্ডা মনে হচ্ছে। এরমধ্যেই মাঝে মাঝে দুটো বিড়ি একসঙ্গে ধরিয়ে একটা অধীরকে দিয়ে নিজে একটা টানতে থাকলো দিবাকর। ভাবতে লাগলো ছেলে দুটো মুক্তিবাহিনির কেঊ না হয়ে রাজাকারও হতে পারতো। হতেই পারতো, কারণ মাত্র দুদিন আগে এই বাজার অঞ্চলটাকে রাজাকার মুক্ত করা হয়েছে। ওদের কথায় বোঝা গেল মুক্ত করা কঠিন কাজ হলেও মুক্তাঞ্চল ধরে রাখা আরও কঠিন। আমরা এখন পর্যন্ত খুব অল্পের উপর দিয়ে বেঁচে যাচ্ছি।

কখন দিবাকর ঘুমিয়ে পড়েছে বুঝতে পারেনি। বুঝতে পারলো নৌকার দুলুনিতে। পরাণের কথায় দিবাকর বুঝতে পারলো তারা গাইলা আর হাঁসকুরির মাঝামাঝি এখন। অকুল সমুদ্রের মত জল আর ঢেউ। ঝড়ই হচ্ছে। অভিজ্ঞ অধীর নৌকার হাল ধরে বসেছে। এখন বেশি নৌকা বাওয়ার সুযোগ নেই। তবু পরাণ আর হানিফ সাধ্য মত টানছে। ভয় পেয়ে বাচ্চাদুটো এই প্রথম মাকে জড়িয়ে কাঁদতে শুরু করে দিল। বৃষ্টি ততটা নেই শুধু হাওয়া। অগভীর এইসব বিল হাওরে ঢেঊ সাধারণত বেশি উঠে। নৌকার পেছন দিকের ঢাকা সরিয়ে নিয়তি মুখ বের করে অধীরের উদ্দেশ্যে কয় ---কাহা আমার ছেরা দুইডারে দেখুইনযে—পোলাপানডি সাঁতার জানে না। ---ভয় পাইয়োনা বেডি—ঝড় বাদলত হয়ই---ভগবানরে ডাহ---। নৌকার পাটাতন সরিয়ে দিবাকর বালতি দিয়ে জল সেচতে লাগলো। নৌকার ওঠানামাতে দুএকবার সে ঠোক্করও খেয়েছে। কিন্তু কাজটা করে যাচ্ছে। নৌকার মুখ ঢেউয়ের সঙ্গে কোনাকুনি রাখা বড় কঠিন কাজ। সবসময় নৌকা ঢেউয়ের সমান্তরাল হতে চায়। হতে দিলেই বিপদ। নৌকা উল্টে যাবে । অধীর সেই কঠিন কাজটা চোয়াল শক্ত করে করে যাচ্ছে কোনোমতে। তবু ঢেউয়ের দাপটে নৌকা কোথায় গিয়ে ঠেকবে বলা মুষ্কিল। যেখানেই যাক, এ-সময় ঠিক মত ভাসিয়ে রাখাই একমাত্র কাজ।
৩০
দুপুরের দিকের শরীরের ভাললাগাটা নিয়তি আর টের পাচ্ছেনা। একটার পর একটা স্নায়ুপীড়ক ঘটনা তাকে একটা বড়ি খাওয়ার কথাও ভুলিয়ে দিয়েছে। এখন এই দুর্যোগ কীভাবে পার হবে ভাবতে ভাবতে আবার দুর্বল বোধ করে। গত কটা মাস তাদের আর কোন সমস্যা ছিল না, ছিল শুধু বাঁচার তাড়না। আজ আবার এই প্রকৃতির হাতের মার। ভাগ্যে কি তাহলে এই সলিল সমাধিই লেখা !

সবচে দুর্ভাগা এই গর্ভের সন্তানটি। এমন সময় তার আগমন যখন একটা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে মৃত্যু-উৎসব। উৎসবে সবাইকে যেন থাকতে হবে। ঘাতক অথবা নিহত হিসেবে। এটাই যেন সকলের যৌথ নিয়তি। সেখানে আজ মৃত্যুটা খুব বড় কিছু নয়। উৎসবটাই বড়। মানুষের অকাতর রক্ত মাংস হাড়গোড়ের পাহাড়ের শীর্ষে আজ কে থাকবে, কে থাকবে না সেটাই ঠিক হবে।

এদিকে রাত মনে হয় শেষ হয়ে আসছে। ঝড়ের বেগ অনেকটাই কমেছে। অধীর ঠাহর করতে পারছেনা যে তারা এগিয়েছে না পিছিয়েছে। একটা খাড়ির মত জায়গায় তাদের নৌকা দুলছে । একটু আলোর আভাসে দেখা গেল কাছাকাছি একটা ডাঙ্গা। পাশাপাশি বিস্তির্ণ শস্য প্রান্তর। কাছাকাছি ঘর বাড়ি নেই। খাড়ির ভেতর ঢেঊএর দাপট একটু কম। জলের গভীরতাও কম। তবে জায়গাটা নিরাপদ কিনা বোঝার উপায় নেই। তবু লগি দিয়ে ঠেলে জোরের সঙ্গে নৌকাটাকে কিছুটা ডাঙ্গার উপর তুলে দিল অধীর। মাটিতে কিছুটা ধাক্কা খেয়ে তা থেমেও গেল। হাত থেকে হালের বৈঠা নামিয়ে রেখে অধীর ভিজে পাটাতনে টান টান হয়ে শুয়ে পড়লো। হানিফ আর পরাণও শুয়ে পড়লো। ঘাম আর বৃষ্টির জলে সবার জামাকাপড় ভেজা। ভিজেছে দিবাকরও । ছৈয়ের ভেতরে কিছু কিছু জল ঢুকেছে। বিছানার পাশে রাখা লাকড়িগুলোও কিছু ভিজেছে। নৌকা আর এগোচ্ছে না। বাচ্চারা এই অবস্থাতেও গভীর ঘুমে। এই সুযোগে দিবাকরকে নিয়ে নিয়তি নামল মাটিতে। বালতি নিয়ে দিবাকর নিয়তিকে একটু এগিয়ে দিয়ে নৌকার কাছেই ফিরে এসে দাঁড়ালো। তাকিয়ে দেখল সামনে শুধু জল আর জল। ঝড় থেমে গেলেও ঢেউয়ের উচ্ছ্বাস এখনও থামেনি। এদিকে সব অঞ্চলই দিবাকরের কাছে অচেনা। একমাত্র অধীরই বলতে পারবে জায়গাটা কোথায়।

মাটিতে নেমে দিবাকর আর নিয়তি যেন প্রাণ ফিরে পেলো। পায়ে নিচে ভেজা মাটির স্পর্শ যেন তাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য আহবান জানালো। ঠান্ডা জলীয় হাওয়া বুক ভরে দুজনেই টানতে লাগলো। তারা ডাঙ্গা থেকে লক্ষ্য করলো ছৈয়ের উপর দিয়ে অধীরের মাথা দেখা যাচ্ছে। অধীর হয়তো চেষ্টা করছে জায়গাটা চেনার। দেখতে দেখতে অধীরও একসময় নৌকা থেকে নেমে তাদের কাছাকাছি এলো। এসে সে সুসংবাদটা শোনালো যে তারা রাজাখালি খালের মুখে এই খাড়িটাতে ঢুকে পড়েছে। আর চিন্তা নেই । আর একবেলার মধ্যে আশা করা যায় তারা আমিত্তিপুরের ঘাটে পৌঁছে যাবে। অধীরকে রেখে তারা দুজন নৌকায় ফিরে এলো। ভোরের আলো ফুটে উঠেছে। খবর শুনে হানিফ আর পরাণ লাফিয়ে উঠে প্রায়। তারাও ডাঙ্গা থেকে ঘুরে এসে কোন কথা না বলে জাল বের করে জলে নেমে পড়লো। বোঝা গেল আজ আর তারা কোন কথা শুনবেনা। মাছ খাবেই। কিছু শুকনো লাকড়ি বেছে নিয়ে নিয়তি ভাত বসিয়ে দিল। বাকি ভেজাগুলো উনানের পাশে রাখলো যাতে তাপে শুকিয়ে যায়। অধীরও ফিরে এসে জলে নেমে ভাল করে স্নান করে নিল। ছৈয়ের ভেতরে ঝোলানো পোটলার মধ্যে সামান্য কিছু জামাকাপড় তাদের থাকে। সেখান থেকে একটা লুঙ্গি আর গেঞ্জি নিয়ে পরে নিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই পাটাতন সরিয়ে একটা হাত দাও বের করে পরাণ ডাঙ্গার দিকে চলে গেল মাছ কাটবে বলে। ছোট বড় মাছ বেশ কয়েকটা ধরা পড়েছে। তার মধ্যে একটা বেশ বড়। সেটাই পরাণ খুব নিপুন হাতে কাটলো। হানিফ কে দিয়ে নৌকা থেকে একটা থালা আনিয়ে মাছ ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মাছ আর মাছের তেল আলাদা করে সাজিয়ে নিয়তির সামনে দিল। বাকি মাছ একটা ছোট্ট জালের টুকরোতে আটকে পাটাতনের নিচে চালান করে দিল। এরপর দুটিতে মিলে অনেকক্ষণ ধরে স্নান করলো। শেষে অধীর ধমক দিয়ে দু জনকে জল থকে তুললো।

তারা যখন খেতে বসেছে তখন সূর্য উঠে গেছে। নিয়তি ছেলেদের ভাবসাব দেখে চাল বেশিই নিয়েছিল। আলুসেদ্ধ, মাছের ঝো্ল আর মাছের তেলের বড়া। ছেলে দুজন খেতে বসার আগেই চেয়ে নিল দুটো করে তেলের বড়া। তাদের আনন্দ দেখে মনে হওয়ার উপায় নেই যে তারা সাংঘাতিক বিপদের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। উঠতি এই উচ্ছ্বাসময় কত জীবনই হয়তো এই চলমান নৈরাজ্যের কাছে বলি হয়ে গেছে। তবু এই সেই জীবন যেখানে শত মালিন্য নৈরাশ্য ঠাঁই নিতে পারে না। আহারান্তে সকলেই কিছুটা সময় বিশ্রাম নিল। অধীর আর দিবাকর গল্প করলো বিড়ি খেল। ঠিক হলো যে বিকেলের মধ্যেই পৌঁছাতে হবে। এবং সেটা একটানা। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে থামাথামি নেই। অধীর বললো ---আফনেরা ঘুমাইয়া লইন---রাইতভর যা গেছে---আমরা এক্কেরে বাড়িত গিয়া ঘুমাইয়াম।

(চলবে)
ফিরে দেখা ২৭,২৮
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ড. ইউনূসের ক্ষমতার ভারসাম্য এবং পিনাকী গং-এর সংঘবদ্ধ মিথ্যাচার ও সামাজিক প্রতারণা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৪ শে মে, ২০২৫ ভোর ৫:৪৬


এই পোস্টটি মূলত ঢাবিয়ানের পোস্ট "বিএনপি - জুলাই বিপ্লবের বিশ্বাসঘাতক" এবং জুল ভার্নের পোস্ট "আব তেরা ক্যায়া হোগা কালিয়া!"-এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে লেখা।

বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংস্কারের দাবির বিষয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বর্তমান রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থার প্রেক্ষাপট এবং প্রত্যাশা......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৪ শে মে, ২০২৫ সকাল ৭:১১

বর্তমান রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থার প্রেক্ষাপট এবং প্রত্যাশা......

বিএনপি নেতারা ডক্টর ইউনূসের দেখা করতে সময় চেয়ে এক সপ্তাহ ধরে ঘুরতেছেন। কিন্তু ইনটেরিম প্রধানের শিডিউল- ই পাচ্ছেনা। আর ওদিকে নাহিদ শুনলেন, ডক্টর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম মেহেদী

লিখেছেন কিরকুট, ২৪ শে মে, ২০২৫ সকাল ৮:০৫

ইমাম মাহদী (আ.) কে?

ইমাম মাহদী (আ.)-এর পূর্ণ নাম মুহাম্মাদ ইবনে হাসান আল-আসকারি (আ.)। তিনি দ্বাদশ ইমাম এবং একমাত্র ইমাম যিনি এখনো জীবিত বলে বিশ্বাস করা হয়। তার পিতা ছিলেন একাদশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওগো ভিনগেরামের নারী, তোরে সোনাল ফুলের বাজু দেবো চুড়ি বেলোয়ারি......

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ২৪ শে মে, ২০২৫ সকাল ১১:২৯


সেই ছোটবেলায় আমার বাড়ির কাছেই একটা বুনো ঝোপঝাড়ে ঠাসা জায়গা ছিলো। একটি দুটি পুরনো কবর থাকায় জঙ্গলে ছাওয়া এলাকাটায় দিনে দুপুরে যেতেই গা ছমছম করতো। সেখানে বাস করতো এলাকার শেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : ড. ইউনূসের মনে কেন এমন আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে মে, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২৯


দৈনিক সমকাল থেকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর বরাতে আমরা জানতে পারি —প্রশাসন, পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই—নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এক গভীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×